খেতো সবাই নানার সাথে করে ভীষণ আয়েস। নানা যেদিন চলে যেতো থেমে যেতো হাসি,
আসলে বাড়ি নানা
-সৌরভ দুর্জয়
----------------------------------------------
আসলে বাড়ি নানা কারো বদনায় দিতো পানি,
ধোয়া হলে হাত পা নানার গামছা দিতো আনি।
বসতে দিতো মাদুর এনে কিংবা দিতো পিঁড়ি,
লেবুর সরবত তৈরি করতো গাছের লেবু ছিঁড়ি।
গরম কালে বাতাস দিতো তালের পাখা দিয়ে,
ঝগড়া করতো ভাই ও বোনে পাশে বসা নিয়ে।
গল্প করতো নানা হেসে নাতি পুতির সাথে,
মাদুর বিছায় চলতো গল্প গরম কালে রাতে।
নানার আনা কদমা মিষ্টি খেতো সবাই হেসে,
আবার চলতো গল্প কথা মিষ্টি খাওয়া শেষে।
ধরতো ধাঁ ধাঁ নানা যখন নাতি পুতির কাছে,
বলতো তারা নানা এখন জরুরি কাজ আছে।
এই না বলে পালায় যেতো নানার পাশের থেকে,
নানা হাসতো নাতি পুতির এমন কান্ড দেখে।
মায়ে রাঁধতো মুরগি মোরগ সাথে পিঠে পায়েস,
খেতো সবাই নানার সাথে করে ভীষণ আয়েস।
নানা যেদিন চলে যেতো থেমে যেতো হাসি,
কারোর চিবুক সাগর হতো চোখের জলে ভাসি।
নানা বলতো আসবো আবার সামনে শুক্রবার,
এমন কথায় হেসে উঠতো ভেজা মুখটা মার।
০১/০২/২০২২
ফরিদপুর।
ছন্দ : স্বরবৃত্ত
Post a Comment