পাড়ার সব খবর তার ঝুলিতে ।অনেকে আড়ালে তাকে বিনেপয়সার সি.সি ক্যামেরা বলে ।
ফেরিওয়ালা
অনিকেত
অপ্রতিভ কে পরপর তিনবার স্কুলছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মহাশয় ক্রটি ঐ ও নাকি শিখনে অক্ষমপড়ুয়া বলবেন না কেন ও যে মুখে উচ্চারণ করে বই ও পড়তে পারতো না ।সরব পাঠে অক্ষম ছিল বেশি বয়সেও।
বাড়িতে বাবা , মায়ের সে নিয়ে কোন মাথা ব্যথা ছিল না ভাবতো বড় হলে সব ঠিক হয়ে যাবে ।অপ্রতিভর বাবা হারান বাবু সমাজ সেবার সঙ্গে যুক্ত থাকতেন তিনি যে কতটা ভালো ছিলেন তা বোঝাগেল ঐ যখন চারিদিকে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল যে এই মুহূর্তে গমচাষ অত্যন্ত বিপজ্জনক এর ফলে অজানা একপ্রকার বিষাক্ত পোকা পরিবেশ দূষণ করছে ।কোন দিক দিয়ে অভাব কিছু ছিলো না । তবু বিষন্নপুরের জমিতে গম চাষ করলেন উদ্দেশ্য ছিল পাশের ক্ষেতে অজেয় প্রভুর ধান কেঁটে কুলোয় করে উড়িয়ে দেয়ার ।
ওনার স্ত্রী বিশালাক্ষী সেও একটি রত্ন ঘরে কেবা জাগে কেবা ঘুমায় কে কারে দেখায় স্বপন -ছেলে কে নিয়ে কোন চিন্তা নেই লক্ষ্য কেবল এ বাড়ি ও বাড়ি ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ ।পাড়ার সব খবর তার ঝুলিতে ।অনেকে আড়ালে তাকে বিনেপয়সার সি.সি ক্যামেরা বলে ।গুন যে নেই তা নয় থার্মোকলের থালায় উল সুতোর সেলাইয়ে দক্ষ।একজনের সাথে ভারী ভাব ছিল শংকরী ঠাম্মা উনি তো অতিথি আপ্যায়ন বিশারদ কেউ এলে চা দেবার জন্য বিড়াল খাওয়া দুধ সবসময় হাতের কাছে রাখেন।
বাবা মা নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত বলে ছেলে অপ্রতিভ অন্য দিনেরমতোই একা একা নদীতে নাই তে এসেছিল সমস্ত দিনের ধুলো, ময়লা যে নাই তে নেমেই পরিস্কার হয় বিকল্প পথ আছে কী?
নদীর ধারে নাটকের মহড়া চলছিল কী নাটক জানা নেই শুধু কানে আসছ বৃও টা ভাঙতেই হবে ।বোকা অপ্রতিভ অতকিছু বোঝেনা সে ভাবে মাথা টিও ঐ বৃত্ত-র মতো । কেমন হতো যদি যারা বৃও ভাঙতে চাইছে তাদের মাথা গুলো কম্পাস,চতুর্ভুজ,বর্গক্ষেত্র ত্রিভুজ এর মতো হতো ভেবে একা একা হেঁসে ফেলে ।
নদীর ধারে চড়ুইভাতি মেলাতে বিভিন্ন খেলা ধুলার ও আয়োজন ছিল হাড়ি ভাঙা,বিস্কুট দৌড়, চারশো মিটার দৌড় প্রতিযোগীদের দেখতে থাকে কেমন করে যারা শুরুতে খুব দ্রুত গতিতে দৌড় শুরু করে ছিল কিভাবে মাঝপথেই তারা থেমে গেছিল মাইকে তো ঘোষণা করছিল অপরাজিতরা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে আসল বিজয়ী শেষ পর্যন্ত রাশ কে ধরে আছে ন।
Post a Comment