নিখিলেশ হলো আমার ছোটবেলার বন্ধু ও একটা গল্প লিখেছে তাই আমি সেই গল্পটা সম্বন্ধে জানছি,

 

Story and Article


History র প্রফেসর অমল চৌধুরী

অভিষেক পাত্র

প্রথম পর্ব "গল্পটা শেষ করতে হবে " ---- নিখিলেশ বললো আমি বললাম --- তা বটে ,কিন্তু শেষে কি সমাপ্ত হবে...... "অবশ্যই হবে অপেক্ষা শুধু সময়ের " --- একটা মুচকি হাসি দিয়ে নিখিলেশ বললো নিখিলেশ হলো আমার ছোটবেলার বন্ধু ও একটা গল্প লিখেছে তাই আমি সেই গল্পটা সম্বন্ধে জানছি, অবশ্য আমিও টুকটাক লেখালেখি করি, আমার নাম অমল চৌধুরী আমি একটা কলেজে ইতিহাসের শিক্ষক , শখে কলম ধরি আরকি ।

আমি একটু খোঁচা মেরে নিখিলেশ কে বললাম ---- তোর গল্পটা যেদিন শেষ হবে সেদিন মনে হয় আমি বুড়ো হয়ে যাব "মশকরা করিস না অনেক চিন্তিত এখন আমি , গল্পের শেষে কি ভালোবাসা পূর্ণতা পাবে " ---- নিখিলেশ বললো " অবশ্যই পাবে সব গল্পের শেষে ভালোবাসা পূর্ণতা পায় " --- আমি বললাম "তাহলে তোর গল্পের শেষে কেন পেল না ভালোবাসা পূর্ণতা " ----নিখিলেশ বললো "আবার সেই পুরনো কথা যেটা চলে গেছে সেটা আর ফিরে আসেনি আমিও চেষ্টা করিনি " ----- আমি বললাম "চেষ্টা করলে যদি ফিরে আসতো " ---- নিখিলেশ বলল "তাহলে.....তাহলে আমি নিজেই ফিরিয়ে দিতাম " ---- আমি মুচকি হেসে বললাম "যদি জানতে চাই কেনো? " ---- নিখিলেশ বললো "কারণ পৃথিবীর সব কিছু জোর করে পাওয়া যায় ভালোবাসা ছাড়া আর যারা সত্যি কারের ভালোবাসে তাদের ভাগ্যে ভালোবাসা জিনিসটা থাকে না " ---- আমি বললাম "বুঝলাম কিন্তু সেও কি বুঝেছে " ---- নিখিলেশ বললো আমি বললাম ----- বুঝেছে বলেই দূরে সরে আছে "তুই কি এখনো তার কথা ভাবিস " ---- নিখিলেশ বললো আমি বললাম ----- হ্যাঁ ,কারণ আমি একজনকেই ভালোবেসেছিলাম সে আমার রঙিন স্বপ্ন, শিল্পীর রঙে ছবি, সে আমার চাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি, সে আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কুল, সে আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ! "বাহ কবিতাটা দারুন তো "----- নিখিলেশ বললো "আসলে নিখিলেশ কি বলতো তার কথা মনে পড়লেই মাথায় ছন্দের খেলা হয় আর মুখে শব্দের মেলা " ----- আমি বললাম "ক্ষমা করবি মাঝখানে বিরক্ত করলাম " ---- দরজা থেকে ঢুকে রাজ বললো "আরে রাজ এসে গেছিস বোস বোস " ---- আমি বললাম "ক্ষমা করিস একটা কেসে আটকে পড়েছিলাম তাই দেরি হয়ে গেল " ----- রাজ বলল " যবে থেকে তুই পুলিশ হয়েছিস কেস সলফ করেই কেটে গেলো " ----- নিখিলেশ বলল " যা বলেছিস " ---- আমি বললাম "চল সবাই মিলে কোথাও ঘুরতে যাওয়া যাক " ---- নিখিলেশ বললো "কোথায় যাওয়া যায় বল তো " ----- আমি বললাম " আমাদের গ্রামের বাড়ি চল " ----- রাজ বললো "কোথায় রে তোদের গ্রামের বাড়ি " ---- নিখিলেশ বললো "পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথ পুর " ---- রাজ বললো " বাহ গ্রামে বেশ মজা হবে "---- আমি বললাম " হ্যাঁ রে , সামনেই আমাদের কালী এর পুজো " ----- রাজ বলল " এখন কালীপুজো ? " ----- নিখিলেশ বলল " হ্যাঁরে আমাদের গ্রামে ওই একটাই জাগ্রত কালী মন্দির আছে আর ওই মন্দিরের কালীপুজো পৌষ মাসে হয় " ----- রাজ বলল "বাহ বেশ দারুন তো " ---- আমি বললাম " হ্যাঁ এক সপ্তাহ ধরে চলে এই অনুষ্ঠান " ---- রাজ বলল "বেশ তাহলে তোর গ্রামের বাড়ি যাওয়া যাক , কি বলিস অমল " --- নিখিলেশ বলল "অবশ্যই যাবো দিনক্ষণ ঠিক কর " --- আমি বললাম "আজ উঠলাম তাহলে , কবে রওনা দেবো তোদের জানিয়ে দেবো " ----- রাজ বললো " এলাম অমল " ----- নিখিলেশ বলল "হ্যাঁ সাবধানে যাস " ---- আমি বললাম নিখিলেশ আর রাজ দুজনে বাড়ির পথে রওনা দিলো আমিও একটু গল্পের বই নিয়ে পড়তে থাকলাম হঠাৎ নিচের ঘর থেকে মা ডাকল....... " বলো মা ডাকছিলে " ----- আমি বললাম "সরাদিন বই নিয়েই থাকা হবে নাকি একটু খাওয়া দাওয়াও হবে " ---- মা বললো "দাও একটু চা দাও " ----- আমি বললাম "সারাদিন চা আর চা, আর কিছু চিনিসই না " ---- মা বলল " চা খেলেই আমার মাথায় নতুন নতুন গল্প আবিষ্কার হয় মা " ---- আমি বললাম "সেই রে , তা এই বছর ঘুরতে যাবি না " ----- মা বললো " যাব তো রাজদের গ্রামের বাড়ি " ----- আমি বললাম " বাহ যা ঘুরে আয় " - মা বললো আমি খাবার খেয়ে উপরের ঘরে গিয়ে বসলাম, মনটা ভালো লাগছিলো না তাই একটু বই পড়ছিলাম হঠাৎ রাজ ফোন করলো.... ফোনটা ধরে বললাম ----- হ্যাঁ বল "ভাই এই বৃহস্পতিবার তাহলে আমরা রওনা দেব এক সপ্তাহ অনুষ্ঠান হবে সব কাটিয়েই বাড়ি আসবো " -----রাজ বলল "অসুবিধা নেই নিখিলেশ কে জানা " ------আমি বললাম "আচ্ছা তাহলে আমি নিখিলেশ কে জানাচ্ছি" ---- রাজ বললো "আচ্ছা বেশ " ---- আমি বললাম ফোনটা কেটে দিয়ে একটু জিরিয়ে নিলাম ........আগামী বৃহস্পতিবার আমরা রওনা দিলাম । যাত্রাটা বেশ ভালোই হলো, সন্ধ্যে বেলার মধ্যে রঘুনাথপুর পৌঁছে গেলাম আমরা । রাজ দের গ্রামের বাড়ির পরিবার অনেক বড়ো রাজের ঠাকুরদা, রাজের দুই জেঠু, কাকাই এবং ওনাদের স্ত্রী মানে রাজের দুই জেঠি মা ও কাকিমা উনাদের ছেলেমেয়েরাও আছে সব মিলিয়ে একটা বড়ো পরিবার । রাজের ঠাকুরদা বলল --- তা বাবা জীবনরা , আসতে কোন রকম অসুবিধা হয়নি তো রাজ বলল ---- না দাদুন কোনরকমের অসুবিধা হয়নি "বেশ বেশ ,মদন ওদেরকে ঘরে নিয়ে যাও " ----- ঠাকুরদা বলল আমরা ঘরে গিয়ে ফ্রেস হয়ে নিলাম অনেক ধকল গেছে আমাদের ওপর দিয়ে, তারপর নিচে গেলাম রাতের খাবার খেতে "তা এখন কাজ কেমন চলছে রাজ " ---- বড় জেঠু বলল "ওই চলছে চোরদের নিয়ে কাজ " ---- রাজ বলল "তা বাবা জীবন তোমরা কী করো " ----- ঠাকুরদা বলল "আজ্ঞে আমার নাম অমল, অমল চৌধুরী আমি ইতিহাসের শিক্ষক" ------ আমি বললাম "বাহ হিস্ট্রি প্রফেসর " -----পিছন থেকে এক হালকা মধুর সুরে কথাটা আমার কানে এলো আমি পিছন ফিরতেই দেখলাম একটা মেয়ে "ওই তো রিয়া চলে এসেছে, এ হলো আমার কাকার মেয়ে রিয়া " ---- রাজ বলল "দাদাভাই কে রে হিস্ট্রির প্রফেসর" ----রিয়া বলল "এইতো আমার পাশে বসে অমল " ---- রাজ বলল "নমস্কার " ----- আমি বললাম "জানেন আমার ইতিহাস অনেক ভালো লাগে " ---- রিয়া বলল আমি বললাম ---- আচ্ছা আপনি কোথাও পড়ছেন নাকি "হ্যাঁ আমি প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ছি ইতিহাসে অনার্স নিয়ে " ----- রিয়া বললো "আচ্ছা ,ভালো " ---- আমি বললাম "ও দাদুন এ হলো আমার বন্ধু নিখিলেশ " ---- রাজ বলল "তা তুমি কি করো বাবা " ---- মেজ জেঠু বলল "জেঠু আমি টুকটাক লেখালেখি করি " ----নিখিলেশ বলল "বাহ কবি এখনকার যুগে এটাই অনেক কম দেখা যায় " ---- কাকাই বলল "তোমরা হয়তো জানো না অমল ও টুকটাক লেখালেখি করে " ---- রাজ বলল "বাহ তাই নাকি শুনাবেন আমায় " ---- রিয়া বলল আমরা খাওয়া দাওয়া সেরে ঘুমাতে চলে গেলাম, পরের দিন সকাল ছটায় আমরা সবাই উঠে পড়লাম গ্রাম ঘোড়ার জন্য..... সকালবেলা আমরা গ্রামের রাস্তায় ঘুরতে বেরোলাম...... "ভাই দারা একটু চা খাই " ----- রাজ বললো " দাদা তিনটে চা দিন তো " ----- আমি বললাম "এই নিন বাবু " ----- দোকানদার দাদা বললো "এই রাজ ওইটা কার বাড়ি রে " ----- নিখিলেশ বলল "ঠিক জানিনা ভাই " ----- রাজ বললো "ওই বাড়ির কথা একদম বলবেন না বাবু " ----দোকানদার দাদা বললো "কেন কি আছে ওই বাড়িতে " ----- আমি বললাম "অতশত জানিনা বাবু ওই বাড়িটা একটা অভিশপ্ত বাড়ি , আপনাদের তিরিশ টাকা হয়েছে " ----দোকানদার দাদা বললো "এই নিন " ---- রাজ বলল "লোকটা কি পাগল আছে" ----- নিখিলেশ বললো "সেটা মনে হলো না কিছুতো একটা আছে " ---- আমি বললাম আমরা বাড়ি পৌঁছে ফ্রেস হয়ে নিলাম হঠাৎ দাদু, আমাদের ডাকলো ; আমরা নিচে গেলাম ....... "শোন কাল আমাদের এখানে প্রতিমা বোধন করা হবে সকাল সকাল তোরা তৈরি হয়ে নিবি "----- দাদু বলল "ঠিক আছে দাদুন " ------ আমি বললাম গ্রাম ঘুরতেই কেটে গেলো সারাদিন , দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পরে রাজ আর নিখিলেশ ভাতঘুম দিল...... আমি বারান্দায় বসে বই পড়ছিলাম "কি করছেন " ----- রিয়া বলল আমি বললাম ----- এই একটু বই পড়ছিলাম , আর আমায় আপনি করে না তুমি করে বলতে পারো "আচ্ছা ঠিক আছে " ---- রিয়া বলল "তুমি এখন এখানে " ---- আমি বললাম "হ্যাঁ আসলে এই সময় আমি কলেজে থাকতাম তাই ভালো লাগছেনা বলে একটু আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছি , দেখলাম তুমি বসে আছো তাই আসলাম " ---- রিয়া বলল "বেশ " ----- আমি বললাম "তুমি কি সব সময় গম্ভীর থাকো "----রিয়া বললো আমি একটু মুচকি হেসে বললাম ----- আরে না না "শুনেছি তুমি নাকি লেখালিখি করো একটা কবিতা শোনা যাবে " ---- রিয়া বললো আমি কবিতা বলতে গিয়ে কখন যে রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে ফেললাম নিজেও বুঝতে পারলাম না "বাহ বাহ এতদিন জানতাম তুমি ভালো কবিতা লেখ এখন তো দেখছি গানও গাইতে পারো " ----- রিয়া বললো "আরে না না আসলে মন ভালো থাকলে আমি গান গাই আর এখন মন ভাল এখানকার পরিবেশ ও ভালো " --- আমি বললাম আমরা গল্প করছিলাম হঠাৎ ভিতরে দাদু চিল্লাতে থাকলো, আমি আর রিয়া ভেতরে গেলাম "কি হয়েছে দাদুন " ---- আমি বললাম "বাবা সব শেষ হয়ে গেল " ---- দাদু বলল "কি হয়েছে দাদু পরিষ্কার করে বলো " ----- রাজ বলল "কালকে মায়ের বোধন তাই গয়না গুলো দেখছিলাম , হঠাৎ দেখলাম মায়ের গলার হার গুলো নেই, অনেক খুজলাম কিন্তু পেলাম না " ---- দাদু বলল "অমঙ্গল ঘোড় অমঙ্গল " ----- বড় জেঠু বলল "বাবা আপনি ভালো করে দেখেছেন " ---- মেজো জেঠির বলল "হ্যাঁ বৌমা আমি ভালো করেই খুঁজেছি " ---- দাদু বলল "অমল ভাই তুই পারবি এই সমস্যার সমাধান করতে" ------ রাজ বলল "আচ্ছা আমি দেখছি " --- আমি বললাম আমি ছোট ছোট ক্লু জুড়তে থাকলাম ....... "দাদু তুমি এর মধ্যে কাউকে চাবি দিয়েছো" ----- আমি বললাম "না দাদুভাই চাবি আমার কাছেই থাকে " ----- দাদু বলল "ভাল করে মনে করে দেখো " ----- আমি বললাম "পরশুদিন আমার নাতি বিষু কে দিয়েছিলাম চাবিটা ধরতে কারণ দরজার সাথে আমার ধুতিটা আটকে গিয়েছিল তাই " ------ দাদু বলল "ঠিক কোন জায়গায় দিয়েছিলে " ----- আমি বললাম "বাথরুমের সামনে কারণ আমি হাত মুখ ধুতে গিয়েছিলাম" ----- দাদু বলল "দাদু বিষু কোথায় " ---- আমি বললাম "তুমি কি পাগল হয়ে গেছো আমার ছেলেকে এবার চোর বানাবে " ----- বড় জেঠু বলল "আঃ বড়বাবু চুপ কর " ------ দাদু বলল "এইতো বিষু " ----- রাজ বলল "বিষু হারগুলো কোথায় " ----- আমি বললাম "কিসের হার আমি জানিনা " ---- বিষু বললো "দেখো আমি কিন্তু জানি হারগুলো তুমি নিয়েছো আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে, আমি জানি তুমি এটা চুরি করো নি তোমার হয়তো টাকা-পয়সার দরকার ছিল তাই নিয়েছিলে, ব্যাপারটা নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নাও " ---- আমি বললাম "দেখ সত্যি কথা বল ক্ষমা করে দেবো " ------ দাদু বলল "না মানে দাদু, ক্ষমা করে দিও আমায় ভুল করেছি আমি কিন্তু বিশ্বাস করো হারগুলো কে আমি কিছু করিনি " ---- হালকা কেঁদে বিষু বললো "কিন্তু কেন, কেন নিয়ে ছিলি আর চাবি পেয়েছিলি কোথায় " --- কাকাই বলল "সেদিন যখন দাদু বিষুকে চাবিটা ধরতে দিয়েছিল তখন সাবানের মধ্যে সে চাবির ছাপ তুলে নিয়েছিল " ------ আমি বললাম "তুই বুঝলি কি করে " ---- রাজ বলল "আসলে দাদুর চাবি থেকে সাবানের গন্ধ বের হচ্ছিল তাই, দাদু নিশ্চই সাবান দিয়ে চাবি ধবে না " ----- আমি বললাম "কেনো করলি বিষু এরম " ---- দাদু বলল "জুয়ায় হেরে গিয়ে আর মাথা ঠিক ছিলনা" ----- বিষু বলল "ছি তুই আমায় ছেলে হয়ে , বেরিয়ে যা চোখের সামনে থেকে " ----- বড়ো জেঠু বলল "জেঠু বিষুদা জেনেশুনে কিছুই করিনি আমার মতে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত" ----- আমি বললাম "সবই ঠিকআছে রাজ কিন্তু পুলিশ তো তুই তাহলে অমলকে বললি কেন " ------ দাদু বলল "আসলে দাদু আমি পুলিশ হলে ও অমলের মধ্যে একটা গোয়েন্দা ভাব আছে " ----- রাজ বলল "হিস্ট্রির প্রফেশ্বর গোয়েন্দা " ----- রিয়া বলল আমরা সকলে পুজোর প্রস্তুতিতে লেগে পড়লাম হঠাৎ একটা লোক হাঁপাতে হাঁপাতে দাদুকে বলল ----- বাবু হানাবাড়িতে লাশ পাওয়া গেছে "কি বলছিস কি , আবার " ----- দাদু বলল "দেখেছিস আমি বলেছিলাম না ওই বাড়িতে কিছু একটা গন্ডগোল আছে " ----- আমি বললাম "দাদু ব্যাপারটা কি হচ্ছে " ----- রাজ বলল "আসলে........." ----- দাদু কথাটা বলতে গেলো হঠাৎ পিছন থেকে আওয়াজ এলো , পিছন ফিরে দেখি এক পুলিশ অফিসার "রায় মশাই আবার একটা উইকেট পড়ল তাহলে " ----- পুলিশ অফিসার বলল "আরে শিশিরবাবু আর বলবেন না , সামনেই গ্রামের পুজো তার মধ্যে আবার এইসব ঘটনা " ----- দাদু বলল "রায় মশাই এনারা কে " ----- পুলিশ অফিসার বলল "এ হলো আমার নাতি রাজ , রাজ হলো এসপি কলকাতা পুলিশের" ---- দাদু বলল "রাজ এখন থেকে এই কেস টা ইনভেস্টিগেশন করবে " ----- আমি বললাম "মানে " ----- পুলিশ অফিসার বলল "মানেটা হল আপনি কেসটা ইনভেস্টিগেশন করেও খুন গুলো কে আটকাতে পারেননি , তাই এবার রাজ কেসটা নেবে " ---- আমি বললাম "অসম্ভব ব্যাপার" ----- পুলিশ অফিসার বলল "আপনার ফোন বাজছে " ---- আমি বললাম পুলিশ অফিসার ফোন তুলে বলল ----- হ্যালো, ইয়েস স্যার , কিন্তু...... ঠিক আছে স্যার ,সমস্ত ফাইল দিয়ে দেবো , জয় হিন্দ স্যার "উপরমহল থেকে ফোন তো , ফাইলগুলো সময় মতন পাঠিয়ে দেবেন " ----- আমি বললাম "আপনার পরিচয় " ----- পুলিস অফিসার বলল "নমস্কার ,আমি হিস্ট্রির প্রফেসর অমল চৌধুরি " ---- আমি বললাম " প্রফেসার, শেষে কিনা কেস সলভ করবেন একটা প্রফেসার " ---- পুলিশ অফিসার বলল "অবাক হওয়ার কিছু নেই এতদিন ছাত্রদের শিক্ষা দিয়েছি এইবার নয় অপরাধীদের শিক্ষা দেবো " ---- আমি বললাম "দেখা হবে আপনার সাথে প্রফেসার " ---- পুলিশ অফিসার বললো অপেক্ষায় থাকবো ..................... অপেক্ষা করুন দ্বিতীয় পর্বের জন্য